1. admin@channelmanobadhikar24.com : admin :
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মহান ১০ আশ্বিন খলিফায়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী, ফানাফিল্লা-বাকাবিল্লা হযরত মাওলানা শাহ সুফি সৈয়দ আল্লামা রিজুয়ান উদ্দীন মাইজভাণ্ডারী (রহঃ) প্রকাশ শাহনগরীর ৯৮তম বার্ষিক ওরশ শরিফ। পবিত্র ১১ই রবিউস ছানী বড়পীর হুজুর হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (ক.) এর ওফাত দিবস ভুজপুরে বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান: ১ জনের কারাদণ্ড, ২ অপ্রাপ্তবয়স্ক জিম্মায় হস্তান্তর ফটিকছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান: ড্রেজার বিকল, পাইপ ধ্বংস ও ৮ হাজার ঘনফুট বালু জব্দ ফটিকছড়িতে অথেন্টিক ফাউন্ডেশনের ট্যালেন্ট হান্টের পুরস্কার বিতরণ অথেন্টিক ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন চবি উপাচার্য, সূর্যগিরি আশ্রম দূর্গা পুজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে কমিটি গঠন ও প্রস্তুতি সভা আজ ইসলামি ফাউন্ডেশনের অনুমোদনে “ধলই লুৎফুদ্দিন জামেউল উলুম ফোরকানিয়া মাদ্রাসা”র উদ্বোধন ও বই বিতরণ শ্বেতকুয়া শাখার উদ্যোগে মহান ২৬ আশ্বিন ৩৮তম ওরশ শরীফ ২০২৬ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ ফটিকছড়ি উপজেলা “ক” জোনের আওতাধীন উত্তর পাইন্দং আমতল শাখার এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

প্রতিবন্ধীদের মর্যাদার সঙ্গে সম্বোধন করুন।লেখকঃ ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

প্রতিবন্ধীরা সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ নয়। সৃষ্টিকর্তার কাছে অপ্রতিবন্ধী ও প্রতিবন্ধী উভয় সমান। সৃষ্টিকর্তা একই দৃষ্টিতে তাদের দেখে থাকেন।

আশির দশকের আগে আমাদের বাংলাদেশে ‘প্রতিবন্ধী’ শব্দটি প্রচলিত ছিল না। তখন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মনে করা হতো অক্ষম। ফলে সমাজের লোকজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিভিন্ন নামে সম্বোধন করত। যা শুনে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা মানসিক কষ্ট অনুভব করত। শুধু দৃষ্টি প্রতিবন্ধী (অন্ধ) ব্যক্তিদের প্রতিবন্ধী হিসেবে গণ্য করা হতো। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কানা, অন্ধ, দৃষ্টিহীন, ট্যারা, শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের লেংড়া, খোঁড়া, খঞ্জ, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বোবা, কালা, গোঙ্গা, এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পাগল, খ্যাপা, উন্মাদ ইত্যাদি নামে জাতীয়ভাবে সম্বোধন করত। দেশের বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে ভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় ডাকা হতো। এসব নামে ডাকার কারণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের পরিবার খুবই কষ্ট পেত। তৎকালীন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিয়ে যেসব সংস্থা বা সংগঠন কাজ আরম্ভকরে সেসব সংস্থা বা সংগঠনের নামও ছিল বিভিন্ন। যেমন- বধির সংস্থা, অন্ধ সংস্থা, পঙ্গু পুনর্বাসন কেন্দ্র।

৮০-র দশকের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংগঠনগুলো সচেতনতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করার কারণে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্পর্কে আগের ধ্যান-ধারণা সম্পূর্ণ বদলে যায়। সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সম্মানের সঙ্গে সম্বোধনের জন্য দৃষ্টি, শারীরিক, বাক-শ্রবণ, বুদ্ধি এবং বহুমুখী প্রতিবন্ধী হিসেবে নামকরণ হয়। বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দায়-দায়িত্ব সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওপর ন্যস্ত। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দৃষ্টি, শারীরিক, বাক-শ্রবণ, বুদ্ধি এবং বহুমুখী প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

কিন্তু এখনো আমাদের দেশের অনেক পরিবার, সমাজের কিছু মানুষ প্রতিবন্ধী শব্দটি ব্যবহার করছে না। তারা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে কানা, খোঁড়া, লেংড়া, বধির, বোবা ও কালাসহ নানা নামে আখ্যায়িত করে।

এমনকি দেশের বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোর মফস্বল সংবাদদাতারা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনের ওপর সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের সময় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শব্দের পরিবর্তে অন্ধ, শারীরিক প্রতিবন্ধী শব্দের স্থলে পঙ্গু এবং বাক প্রতিবন্ধী শব্দের স্থলে কালা, শ্রবণ প্রতিবন্ধী শব্দের স্থলে বধির এবং বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শব্দের স্থলে পাগল বা মানসিক রোগী শব্দ ব্যবহার করে। ফলে মফস্বল সংবাদদাতাদের লেখার ওপর ভিত্তি করে অন্ধ, ‘খোঁড়া, পঙ্গু, বোবা, কালা ও মানসিক রোগী শব্দগুলো ব্যবহার করে থাকে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষ হিসেবে তাদের রয়েছে মর্যাদা। সেজন্য এ ব্যাপারে সর্বস্তরের মানুষের সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা প্রয়োজন। যাতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নির্দিষ্ট নামে সম্বোধন করার রীতি সমাজে সহজেই প্রচলন ঘটে। বিষয়টি জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার আশু দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

লেখকঃ ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ চ্যানেল মানবাধিকার 24
Theme Customized By Shakil IT Park