1. admin@channelmanobadhikar24.com : admin :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হযরত গাউসুল আজম বাবা ভাণ্ডারীর (ক.) ১৬৪তম খোশরোজ শরিফের আখেরি মোনাজাত ১৪ অক্টোবর মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ সূর্যগিরি আশ্রম মহিলা শাখার উদ্যোগে হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.) উরস শরিফে শ্রদ্ধাঞ্জলী ও পুষ্পস্তবক অর্পণ কেলিশহর সার্বজনীন দূর্গা মন্দির যুব কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে সার্বজনীন শরদীয়া দূর্গোৎব ১৬ অক্টোবর ​ফটিকছড়িতে গাজাসেবনের দায়ে এক যুবকের কারাদণ্ড মাইজভাণ্ডার শরীফে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারীর (কঃ) বার্ষিক ওরশ শরীফ সম্পন্ন মাইজভাণ্ডার শরীফে ২৭শে আশ্বিন খোশরোজ শরীফ পালিত, সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারীর পবিত্র রওজা শরীফের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে চট্টগ্রামে সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আশেকানে হক ভাণ্ডারী, শোকর-এ মওলা মনজিল – এর উদ্যোগে পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম এর তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও মিলাদ মাহফিল সম্পন্ন আজ বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক).’র পবিত্র উরস শরীফ ​সুয়াবিলে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটির গৃহনির্মাণ সহায়তা প্রদান ​

সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ—-লেখকঃ ডা. বরুণ কুমার আচার্য্য।

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৯ বার পঠিত

সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ

প্রচলিত প্রবাদেই রয়েছে। ‘সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ’। তরুণরা নেশায় আক্রান্ত হওয়ার প্রথম কারণ হচ্ছে খারাপ সঙ্গ। এছাড়াও দ্বিতীয় যে কারণটি তা হচ্ছে পারিবারিকভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব না থাকা। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে, একটি পরিবারের মধ্যে কোনো তরুণ ছেলের সঙ্গে মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটলেই বিভিন্ন প্রকার মাদক সেবন করে মনের অস্থিরতা দূর করার চেষ্টা করে। তবে এর শুরু হয় স্বাভাবিকভাবে নেয়া ২/৩ টাকার সিগারেট থেকে। এভাবেই এক সময় তরুণরা ধীরে-ধীরে ঝুঁকে পড়ে মাদক সেবনে। এছাড়াও সন্তানদের হাতে অতিরিক্ত টাকা তুলে দেয়ার ফলে উচ্চাভিলাষী সন্তানরা মাদক গ্রহণ করার প্রয়াস পায়। আর এর জন্য দায়ী অসচেতন পরিবারের কর্তারা।

সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা ও সমাজিক কাঠামো না থাকার জন্যই তরুণরা আজ মাদক সেবন করছে। সুস্থ সমাজ ব্যবস্থা যদি থাকতো তাহলে আজ আর মাদকাসক্ত বা মাদক সেবনকারী বিষয়টি আসতো না। তরুণ বা যুবকদের আজ বিপথগামিতার কারণ যদি চিহ্নিত করতে যাই তাহলে বলতে হয় সামাজিক নিয়মনীতির বৈষম্য। স্বাধীনতার পাঁচ যুগ পেরিয়ে গেলেও বৈষম্যের হার কিন্তু কমছে না বরং বাড়ছে। আর এজন্য এ সমাজের তরুণরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।
বলতে গেলে প্রথমত নৈতিক শিক্ষার অভাব ও মাদকদ্রব্যের সহজপ্রাপ্তি। এর ফলে উঠতি বয়সের যুবকরা মাদক সেবনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। শুধু তাই নয়, এ ক্ষেত্রে অভাবী মানুষের সংখ্যা বেশি। এসব অভাবী পরিবারের সন্তানরা লেখাপড়া শেষ করে উচ্চ শিক্ষিত হয়ে যখন ঘরে বসে থাকে তখন বেকারত্বের অভিশাপ তাদের বিষফোঁড়ার মতো হয়ে দাঁড়ায়। তখন এসব যুবক সবকিছু ভুলে থাকতে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। এছাড়াও অসৎ সঙ্গ ও পারিবারিক বিড়ম্বনাও অনেকাংশে দায়ী। এ ভয়ঙ্কর থাবা থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতে হবে। পিতামাতার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও সজাগ থাকতে হবে

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ চ্যানেল মানবাধিকার 24
Theme Customized By Shakil IT Park