1. admin@channelmanobadhikar24.com : admin :
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আল্লামা শায়েস্তা খান আযহারী (রঃ)’র স্মরণ সভা আগামীকাল আবারও ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন জনপ্রিয় মহিলা মেম্বার আয়েশা বেগম, মৃদুল আচার্য্য ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ভূজপুরের নিহত দুই কৃষক পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান। শাহ্ মনছুর আলী দেওয়ান আল আহাদী আল কাঞ্চন নগরী (রহ.)’র মহান উরস-এ পাক আগামী ৫ আগস্ট মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৪ আগস্ট ফটিকছড়িতে ‘তাজকিয়া হেলথ ক্যাম্প-২০২৬’, প্রায় ৭০০ জনের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, মাইজভাণ্ডারী দর্শন স্রষ্টার সৃষ্টির প্রতি দায়িত্ব পালনের শিক্ষা দেয়।” — মোহাম্মদ শাহেদ আলী চৌধুরী মাইজভাণ্ডারী। তাজকিয়া চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অভিষেক, সাংগঠনিক কর্মশালা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন দায়িত্ববোধে আনে সমৃদ্ধি।

‎পাঁচ গ্রামের মানুষের ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৫৪ বার পঠিত

নিজ উদ্যোগে তৈরি কাঠের সেতু দিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে। এভাবে পারাপার করা যেমন ঝুঁকিপূর্ণ তেমনি ভোগান্তিও রয়েছে।
‎চার হাজারেরও বেশি মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা নড়বড়ে একটি কাঠের সেতু। দৈনন্দিন স্কুল-কলেজমুখী ছাত্র ছাত্রীদের থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী, দিনমজুর মানুষের চলাচল এই সেতু দিয়ে। ২০ ফুটের মত দৈর্ঘ্য ও ৪ ফুট প্রস্তে গাছের খুঁটি আর কাঠের বিছানা দিয়ে তৈরি সেতু নিয়ম করে দূর্ঘটনা আতঙ্ক লেগে থাকে । প্রতিদিন ৫ গ্রামের মানুষ মোটরবাইক, বাই সাইকেলে চলাচল করলেও কাঠের সেতু দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ভাঙা-মেরামতের মধ্যেই দাড়িয়ে আছে। সেতুটি পাকা ব্রিজে রুপ ধারণ করতে পারেনি।
‎ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউপি সদর থেকে ৫ কিমি পশ্চিমে দক্ষিণ বান্দরমারা এনায়েতপুরে খুঁটির ওপর ভর করে কাঠ দিয়ে বানানো সরু সেতু দিয়ে পারাপার করতে হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে উত্তর বান্দরমারা ও দক্ষিণ বান্দরমারা সড়কের উপর সেতুটি পাকা করার দাবি জানানো হলেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ চলাচকারী ভুক্তভোগিদের। অতীতেও এই পাকা ব্রিজের জন্য অনেক জায়গায় ধর্না দিয়েও সফল হয়নি কেউ। তবে, প্রতিবছর এলকাবাসী ও স্থানীয় ইউপি সদস্যের প্রচেষ্টায় গাছের খুঁটি ও কাঠ দিয়ে সেতুটি তৈরি করে দেন বলে জানায় ওই এলাকার বাসিন্দারা।জানা গেছে, তারাখো রাবার বাগান সড়কের পাশ ঘেঁষে বয়ে যাওয়া এনায়েতপুর ছড়ার উপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতু দিয়ে বড় বেতুয়া, ছোট বেতুয়া,ঘরকাটা,শেষ ছড়া,হাসনাবাদ, কাঞ্চনা, বৈদ্যের তলি অংশের মানুষ চলাচল করে। একটি পাকা ব্রিজের অভাবে ভয়ে ভয়ে পারাপার করতে হয় স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা পড়ুয়া শতশত শিক্ষার্থীদের। এছাড়া গ্রামগুলোতে প্রয়োজনে ভারী কোন যান চলাচল করতে হলে কয়েক কিমি পথ ঘুরে নিচিন্তা সড়ক দিয়ে যেতে হয়।
‎সরেজমিনে দেখা যায়, কাঠের তৈরি সেতুটি দিয়ে কোন রকম ভারী যানবাহন না চললেও ঝুঁকি নিয়ে চলছে মোটর সাইকেল, বাই সাইকেল। ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪ ফুট প্রস্থ ওই সেতুটি ৮ টির মত গাছের খুঁটি দিয়ে দাঁড় করে রাখা হয়েছে। এতে কোন খুঁটি নষ্ট বা বেকে গেলে যাতায়ত বন্ধ হয়ে যায়।
‎শিশু শিক্ষার্থী আমিন বলেন, প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমরা এই সেতু দিয়ে স্কুলে যাচ্ছি, এই সেতুটি নিকট আসলে একটা ভয় কাজ করে পড়ে যাচ্ছি কিনা!!
‎রেজাউল করিম নামে স্থানীয় এক দোকানদার বলেন,এই সেতুটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ যাতায়ত করে,বন্যা হলে তো অনেকদিন যাতায়াত বন্ধ থাকে,নতুন করে সেতু তৈরি হলে যাতায়াত শুরু হয়। অতীতে প্রতিনিধিদের জানিয়েও কোন কাজ হয়নি। শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছেন।
‎মোঃ বাচ্চু মিয়া বলেন, ২০ ফুটের একটি সেতু অভাবে একটি ভালো আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়ে উঠেনা। সব কিছু পছন্দ হলেও মানুষের পছন্দ হয়না সংযোগ সড়কের সেতু,কবে হবে এই সেতু এটাই দুঃশ্চিতা!!
‎স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হাকিম বলেন, এই সেতু ব্যাপারে ইউপি সচিব উপজেলা প্রকৌশলীর মাধ্যমে আবেদন করেছেন। । কিন্তু দীর্ঘ ২০-৩০ বছর ধরে ওই সেতু হচ্ছে হচ্ছে বলে এখনো হয়নি। সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। যাতে এলাকার মানুষের দুঃখ লাগব হয়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ চ্যানেল মানবাধিকার 24
Theme Customized By Shakil IT Park