
উপমহাদেশের অন্যতম প্রধান অধ্যাত্ম কেন্দ্র মাইজভাণ্ডার শরীফের অধ্যাত্ম শরাফতের প্রতিষ্ঠাতা ও মাইজভাণ্ডারী তরিকার মহান প্রবর্তক গাউছুলআজম মাইজভাণ্ডারী হজরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) প্রকাশ হজরত সাহেব কেবলার ১২০তম বার্ষিক ওরশ শরীফ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সহিত মহাসমারোহে মাইজভাণ্ডার শরীফে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ-শ্রেণী-পেশা নির্বিশেষে দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ আশেক ভক্তের উপস্থিতিতে প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও মাইজভাণ্ডার শরীফের সর্বপ্রধান ও সর্ববৃহৎ এই ওরশ শরীফ গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের প্রয়াত মোন্তাজেম, জিম্মাদার ও সাজ্জাদানশীন, আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সভাপতি শাহসুফি ডা. সৈয়দ দিদারুল হক মাইজভাণ্ডারী (র.)-এর স্থলাভিষিক্ত আওলাদ মোন্তাজেম, জিম্মাদার ও সাজ্জাদানশীন শাহজাদা সৈয়দ হোসেইন রাইফ নুরুল ইসলাম (রুবাব) মাইজভাণ্ডারী ও শাহজাদা ডা. সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম মাইজভাণ্ডারীর সার্বিক ব্যবস্থাপানায় মহাসমারোহে উদযাপিত হয়েছে। ওরশ শরীফ উপলক্ষে ১০দিনব্যাপী নানাবিধ ধর্মীয় ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচী পালিত হয়। গত ২৪ জানুয়ারি প্রধান দিবসে দিনব্যাপী কোরআনখানি ও জিকির, বাদ এশা গাউছিয়া আহমদিয়া ভবন ময়দানে ‘শানে বেলায়েত মাহফিল’, অতঃপর গাউছুলআজম মাইজভাণ্ডারীর (ক.) দোয়ার মেহরাব হতে মিলাদুন্নবী, তাওয়াল্লাদে গাউছিয়া ও আখেরী মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অতঃপর উপস্থিত জায়েরীনদের মাঝে নেয়াজ তাবারুক বিতরণের মাধ্যমে ওরশ শরীফের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।
ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির সভাপতি শাহজাদা সৈয়দ হোসেইন রাইফ নুরুল ইসলাম রুবাব মাইজভাণ্ডারী বলেন, “শরীয়ত ও তরিকত চর্চার মাধ্যমে আত্মশুদ্ধির প্রয়াস ও বিশ্বমানবতার কল্যাণে আত্মনিবেদনই মাইজভাণ্ডারী দর্শনের মর্মবাণী।” ওরশ শরীফ সুপারভিশন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শাহজাদা ডা. সৈয়দ হোসেইন সাইফ নিহাদুল ইসলাম মাইজভাণ্ডারী ওরশ শরীফের সমস্ত কার্যক্রম ও আয়োজনকে সফলভাবে সম্পন্ন করায় স্থানীয় প্রশাসন, নিরাপত্তা সংস্থা, এলাকাবাসী ও সকল সেচ্ছাসেবকদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।