
ভাবগম্ভীর ও বরকতময় পরিবেশে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর পবিত্র ২৬ আশ্বিন বার্ষিক ওরশ শরীফ মাইজভাণ্ডার শরীফ শাহী ময়দানে আভিজাত্য ও আধ্যাত্মিক আবহভেদে সম্পন্ন হয়েছে। কেন্দ্রীয় মিলাদ, কিয়াম ও আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ওরশ শরীফের সব আনুষ্ঠানিকতার সমাপ্তি ঘটে।
ওরশ শরীফ উপলক্ষে মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিলের সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) দেশ-বিদেশের দূর-দূরান্ত থেকে আগত অগনিত আশেকান, ভক্ত ও জায়েরীনদের সঙ্গে নিয়ে মিলাদ-কিয়াম শেষে আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন।
পবিত্র এই দিনে মাইজভাণ্ডার শরীফ শাহী ময়দানে গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ও গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর মাজার শরীফকে সম্মুখে রেখে কেন্দ্রীয় মিলাদ, কিয়াম, সামা মাহফিল ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
মোনাজাতকালে সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ) এই পবিত্র দিনটিকে অত্যন্ত রহমত ও বরকতময় উল্লেখ করে মহান আল্লাহর দরবারে আকুল ফরিয়াদ জানান। তিনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ), গাউসুল আজম বিল বিরাসাত বাবা ভাণ্ডারী কিবলা আলম, বাবা আমিনুল হক ওয়াসেল মাইজভাণ্ডারী (কঃ), অছিয়ে গাউসুল আজম এবং বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-এর আধ্যাত্মিক ফয়েজ, বরকত ও নজর-ই-করম যেন সব ভক্ত-আশেকানের ওপর মঞ্জুর হয়—সেই দোয়া করেন। একই সঙ্গে উপস্থিত সবার স্বচ্ছল, শান্তিময় ও বরকতময় জীবন কামনায় আল্লাহর দরবারে দোয়া পরিচালনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে ফটিকছড়ি আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর, মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব রেজাউল আলী জসিম চৌধুরী, শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের সম্মানিত সচিব জনাব এ ওয়াই এম ডি জাফর, ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমান, অধ্যাপক জসিম চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সদস্যবৃন্দ এবং দেশ-বিদেশ থেকে আগত অসংখ্য আশেক-ভক্ত ও জায়েরীন উপস্থিত ছিলেন।