
বিশ্ব শান্তি ও বিশ্ব মানবতার কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে মহান ২২ চৈত্র,গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (কঃ) প্রকাশ বাবা ভাণ্ডারী কেবলা কাবা’র মহা পবিত্র বার্ষিক উরস শরীফ সুসম্পন্ন হয়েছে।
মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম ও মুনাজাতে সদারত করেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)।
এর আগে গতকাল শনিবার ( ৪ এপ্রিল) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে হযরত বাবা ভাণ্ডারী’র বার্ষিক উরস শরীফ উপলক্ষে বাদে ফজর মাজারে গিলাফ পরিবর্তন, পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, এবং আতর গোলাপ ছিটানো শেষে মিলাদ কিয়াম অন্তে তিনি বাংলাদেশকে একটি শান্তির ও নিরাপদ জনপদ এবং বিশ্ববাসী ও বিশ্ব মজলুমের মুক্তির জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন।
বিশেষ মোনাজাতে তিনি বলেন, “হে আল্লাহ মহান এ অলির বার্ষিক উরসে দুনিয়ায় শান্তি ও আখেরাতে মুক্তির উছিলায় অগণিত ভক্ত আশেক দেশ-বিদেশ থেকে দরবারে হাজির হয়েছেন। মহান এই অলির উছিলায় আল্লাহ আপনি বাংলাদেশকে একটি সুখি, নিরাপদ ও সমৃদ্ধশালী কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে কবুল করুন”
তিনি বিশ্বের মজলুম ও নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের মুক্তি কামনা করেন।
হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রবর্তিত ত্বরীকা এবং গাউসি- আজমিয়তের শান-মান মানুষের সামনে যথাযথ ভাবে তুলে ধরার তৌফিক কামনা করে তিনি বলেন, “বিশ্বের আনাচে কানাচে যুগে যুগে আল্লাহর দ্বীনের পতাকাকে উড্ডীন রাখার জন্য যেসব বান্দা নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের পথেই আমাদের পরিচালিত করুন।”
পবিত্র উরস উপলক্ষে জাতি ধর্ম বর্ণ, ধনী গরিব, দলমত নির্বিশেষে আল্লাহর মহান এই অলির দরবারে যারা হাজির হয়েছেন তাদের সকলের উপস্থিতি কবুল করার ফরিয়াদ জানিয়ে সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ) আরও বলেন, “হে আল্লাহ আমরা আপনার কাছে শূন্য হাতগুলো তুলে দিয়েছি। আমাদের ত্রুটিপূর্ণ ইবাদত বন্দেগী কবুল করুন। হে আল্লাহ মহান এই অলির পবিত্র উরস মোবারকের উছিলায় নেয়ামত হাসিলের তৌফিক দিন। উরস উপলক্ষে আপনার বান্দারা অগণিত সামাজিক, মানবিক, শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে ইবাদত বন্দেগী করেছেন। তাদের সকল প্রচেষ্টা ও হাজেরী কবুল করুন।”
দিনব্যাপী কোরআন শরীফ খতম, তাওয়াল্লাদে গাউসিয়া মাইজভাণ্ডারীয়া সহ নানা পূণ্য আয়োজনে দিনটি পালিত হয়েছে। পরিশেষে আগত অগণিত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের তবাররুকাত পরিবেশন করা হয়।