
হিকমাহ, পবিত্র কোরআন কারীমে ১৮ বার ব্যবহৃত তাৎপর্যময় নিগূঢ় অর্থবহ শব্দ। পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত ‘হিকমাহ’ দ্বারা আল্লাহ প্রদত্ত হিকমাতুল ইলাহিয়্যাহ উদ্দিষ্ট, বান্দা কর্তৃক অর্জিত ‘হিকমাহ’ তথা ‘হিকমাতুল বশরিয়্যাত’ নয়। সুফিয়ায়ে কেরামের দৃষ্টিতে হিকমাহ হলো আল্লাহ প্রদত্ত নুর যদ্দ্বারা সালেক (আল্লাহর পথের পথিক) আত্মশুদ্ধি ও রূহানী রিয়াজতের মাধ্যমে মারেফতে রাব্বানী পর্যন্ত পৌঁছে হাকিকতে ইলাহী অনুধাবন করেন। হিকমাহ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআন মাজিদে ইরশাদ করেন,
“তিনি যাকে চান হিকমাহ প্রদান করেন। আর যাকে হিকমাহ প্রদান করা হয়, তাকে অনেক কল্যাণ দেয়া হয়। আর বিবেক সম্পন্নগণই উপদেশ গ্রহণ করে। ( সুরা বাকারা, আয়াত – ২৬৯)
উপরোক্ত আয়াতে হিকমাহ দ্বারা উদ্দেশ্য হিকমাতুল ইলাহী যা আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক প্রদত্ত, পার্থিব জ্ঞান দ্বারা অর্জিত নয়। ‘হিকমাতুল ইলাহীয়্যাহ’অনন্য, তাৎপর্যময় ও ব্যতিক্রম ‘হিকমাতুল বশরীয়্যাহ’ হতে। কেননা হিকমাতুল ইলাহীয়্যাহ অর্জিত হয় ‘আলমে গাইব’ তথা অদৃশ্য জগত হতে আর পক্ষান্তরে হিকমাতুল বশরীয়্যাহ তথা মানবীয় হিকমাহ লাভ হয় আলমে দুনিয়া তথা দুনিয়ার জগত হতে চিন্তালব্ধ, কল্পনাপ্রসূত ও ভাবমিশ্রিত যা সত্য ও মিথ্যার সম্ভবনা রাখে। হিকমাতুল ইলাহীয়্যাহ সরাসরি আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্কিত বিধায় মিথ্যার বিন্দু মাত্র সম্ভবনা রাখে না।
হিকমাতুল ইলাহীয়্যাহর স্বরূপ, অন্তর্নিহিত তাৎপর্য, ফলাফল ও এটি প্রাপ্তিতে ব্যক্তির আধ্যাত্মিক বিশেষণ সম্পর্কে নবী করিম হজরত মুহাম্মদ মোস্তাফা (দঃ) ইরশাদ করেন,
বান্দা পৃথিবীতে মোজাহাদা তথা আত্মনিয়ন্ত্রণ করলে আল্লাহ তার কলবে হিকমাহ সৃষ্টি করেন, যার মাধ্যমে তার জবান কথা বলে, তাকে দুনিয়ার দোষ ক্রুটি, রোগ ব্যাধি ও তার ঔষধ প্রতিষেধক প্রত্যক্ষ করায় এবং তাকে দুনিয়া হতেই নিরাপত্তার সাথে শান্তির জগতে (আখেরাতে) পদার্পণ করায়। (শুয়াবুল ঈমান কৃত ঈমাম বায়হাকী) কোরআন কারীমে বর্ণিত হিকমাহ’ এবং হাদীসে বর্ণিত হিকমাহ’এর হাকিকত ও ফলাফল পরিলক্ষিত হয় আধ্যাত্মিক জগতে আলোকিত সত্তা মুহাদ্দিস আজম হজরত মাওলানা শাহসুফী শেখ অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) এর যাপিত জীবনে। আরবের বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী কোরাইশ বংশীয় ধারায় আমিরুল মুমেনীন হযরত ওমর (রাঃ) এর রক্তের উত্তরসূরি বিখ্যাত আলেমে দ্বীন, মুহাদ্দিসে আযম, কুত্ববুল আকতাব হযরত মাওলানা শাহসুফী শাইখ অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) ইলমী জগতের সাথে স্বীয় আধ্যাত্মিক জীবনে মোজাহাদা, মোরাকাবা, মোহাসাবা ও মোকাশাফার চরম শিখরে উন্নীত হয়ে স্বীয় পীর ও মুর্শিদ গাউসুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফী আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) এর তাওয়াজ্জুহ ও ফয়ুজাতের মাধ্যমে ফানা ফিন্ নফস, ফানা ফিশ শাইখ, ফানা ফির রাসুল, ফানা ফিল্লাহ ও বাকাবিল্লাহ মাকাম অর্জনান্তে বেলায়ত, মারেফত ও হিকমাহ লাভে ধন্য হন।
হিকমাহ প্রাপ্তিতে উপরোক্ত হাদীস শরীফে বর্ণিত বিশেষনে আলোকিত সত্তা ছিলেন কুত্ববুল আকতাব হজরত মাওলানা শাহসুফী শাইখ অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ)। হাদীস শরীফের প্রথম অংশ তথা “বান্দা পৃথিবীতে মোজাহাদা তথা আত্মনিয়ন্ত্রণ করলে আল্লাহ তার কলবে হিকমাহ সৃষ্টি করেন যার মাধ্যমে তার জবান কথা বলে” এর বাস্তবিক চিত্র পরিদৃষ্ট হয় হজরত মাওলানা শাহসুফী শাইখ অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) এর জীবনে। হিকমাহ প্রাপ্ত ব্যক্তির জবানে নির্গত শব্দমালা হিকমাহপূর্ণ হয়। রাঙ্গুনীয়া থানার ঘাটছেক নিবাসী মৌলানা শাহসুফী খলিলুর রহমান সাহেব (র.) বর্ণনা করেন, হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) আমার দিকে দৃষ্টিপাত করতঃ বলেন-‘মিঞা খলিলুর রহমান! জিবরাইল (আ.) ছিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত গিয়ে বলেছেন, আমি আর এক পশম পরিমাণেও অগ্রসর হতে চেষ্টা করলে খোদার তজল্লীতে আমার ডানা জ্বলে যাবে। ইহা জ্ঞানের স্তর। তৎপর নবী করিম (দ.) এর ছায়েরের বাহন ছিল ‘‘রফ্রফ” অর্থাৎ স্বতঃস্ফুর্ত প্রেম-প্রেরণা বা জজবা। তোমার জন্য প্রেম-প্রেরণাপূর্ণ সরবত প্রস্তুত করেছি, এই বলে তিনি আমাকে এক চামচ সরবত পান করালেন। তৎমুহূর্তে আমার অজ্দ আরম্ভ হল। আমি নিদ্রা হতে জাগ্রত হলাম, আমার লতিফা সমূহে ‘আল্লাহু’ ‘আল্লাহু’ জিকির জারি হল। এই অবস্থায় আমি হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এর খেদমতে উপস্থিত হলাম। আমার স্বপ্ন সত্য!। তিনি সরবত নাড়াচাড়া করছেন। আমার প্রতি দৃষ্টিপাত করতঃ বলেন, ‘মিঞা খলিল, নিদ্রিতাবস্থায় ও জাগ্রতবস্থায় এবং সকল সময় আল্লাহপাকের (রহমত) অনুগ্রহ বর্ষণ হয়। তোমার জন্য এই এক চামচ সরবত রেখেছি, পান কর। তখন আমি নিতান্ত আগ্রহের সহিত সরবত পান করলাম। মুহূর্ত মধ্যে আমার অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেল। জজ্বা অত্যন্ত গালেব হয়ে পড়ল। পরে লোকের মুখে জানতে পেরেছি, আমি বেখুদী অবস্থায় আছকান, চৌগা, ইত্যাদি টুকরা টুকরা করে দূরে নিক্ষেপ করেছি। তাঁর এশ্কের সরাব পান করে উন্মত্ত হয়েছি। জজবা করেছি, নৃত্য করেছি। তাঁর মধ্যে আমাকে বিলীন করে দিয়ে পরমাত্মার সন্ধান পেয়েছি। (হজরত মাওলানা অছিয়র রহমান ফারুকী (কঃ) এর জীবনী ও কেরামত ) হিকমতপ্রাপ্ত আধ্যাত্মিক সত্তা হজরত শাহে চরণদ্বীপি (কঃ) এর জবানে নিঃসৃত হিকমতপূর্ণ বাক্যের প্রভাবে হজরত খলিলুর রহমান শাহ (রঃ) এর জীবন প্রবাহ পার্থিব জগত হতে প্রেমময় ‘হাকিম তথা আল্লাহর প্রতি সায়ের তথা সায়ের ইলাল্লাহ, সায়ের মায়াল্লাহ ও সায়ের ফিল্লাহ প্রতি উৎসর্গিত হয়েছেন।
হাদীস শরীফে বর্ণিত হিকমতপ্রাপ্ত ব্যক্তির দ্বিতীয় বিশেষণ “তাকে দুনিয়ার দোষ ক্রুটি, রোগ ব্যাধি ও তার ঔষধ প্রতিষেধক প্রত্যক্ষ করান” এর মাধ্যমে আধ্যাত্মিক চিকিৎসা কথা উদ্দিষ্ট। হিকমতপ্রাপ্ত আধ্যাত্মিক সত্তা হজরত শাহে চরণদ্বীপি (কঃ) আল্লাহ প্রদত্ত হিকমাহর মাধ্যমে পথহারা ব্যক্তির অন্তরের রোগের প্রতিষেধক প্রদান পূর্বক ব্যক্তি বিশেষকে হাকিকি মাওলার প্রেমে উদ্বুদ্ধ করেন। বোয়ালখালী থানার শাকপুরা নিবাসী মৌলভী আবদুল গণি সাহেব বর্ণনা করেন, আমার বড় ভ্রাতা মৌলভী আবদুল হাকিম প্রকাশ মজনুন হাকিম সাহেব জনাব হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এর প্রিয় ভক্ত মুরিদ ছিলেন। তিনি বলেছেন, বাংলার শ্রেষ্ঠতম গায়িকা গওহার জান এর প্রতি আমি অত্যন্ত আসক্ত ছিলাম। তার প্রেমে মুগ্ধ হয়ে প্রায় সময় তার নিকটে গিয়াছে গান বাদ্য করতে থাকি। হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) খেলাফত লাভের পর তাঁর ভ্রমন অবস্থায় একদা আমি তাঁর সম্মুখ দিয়ে গওহার জানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার প্রতি তাঁর শুভদৃষ্টি পতিত হয়। তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘মজনুন হাকিম, কোথায় চলছো, একটু দাঁড়াও দেখি।’ মজনুন শব্দ সংযোগে আমার নাম ধরে ডাকায় তাঁর প্রতি ফিরে তাকাতেই আমার সর্বাঙ্গ কাঁপতে লাগল। হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) বলেন, ‘মিঞা! তুমি তো ইল্লাল্লাহের মজনুন। তোমার পথ সোজা আছে, কিন্তু পথের মধ্যখানে গওহারজান কালফণী স্বরূপ ফণা বিস্তার করে গমনে বাঁধা দিচ্ছে। আচ্ছা! আমিও তার নিকট যাওয়ার পথ বন্ধ করে দিব। তার পথে কালভুজঙ্গ পাহাড়াদার পাঠিয়ে দিব। তাহলে তুমি ইল্লাল্লাহের প্রেম বাজারে পৌঁছবে। প্রেমের দপ্তরে তোমার নাম মজনুন হাকিম লিখা আছে।’ আমি মন্ত্রমুগ্ধবত হতবাক হয়ে তাঁর পানে চেয়ে রইলাম। আমার অনুভূতি হল তিনি যেমন অগ্রদূত আমি তাঁর পিছে পিছে কোন অজ্ঞাত রাজ্যে ভ্রমন করছি। হঠাৎ তাঁর জজ্বাতি অবস্থা অত্যন্ত গালেব হয়। তিনি তথা হতে প্রস্থান করলেন। (হজরত মাওলানা অছিয়র রহমান ফারুকী (কঃ) এর জীবনী ও কেরামত )
হাদীসের তৃতীয়তম অংশে হিকমাহ এর তৃতীয় ফলাফল ও হাকিকত “ তাকে দুনিয়া হতেই নিরাপত্তার সাথে শান্তির জগতে (আখেরাতে) পদার্পণ করায়” এর আলোকে আলোকিত সত্তা হযরত মাওলানা অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) কেবল নিজেই আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক নিরাপত্তা সহিত দুনিয়াবী জীবন হতে পরকালীন জীবনে পদার্পণ করেন, এমনকি তাঁর সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তিকে ইমানের সহিত আখেরাতের জীবনে পদার্পণ করান যা হিকমাহর নিগূঢ় হাকিকত। এতদ্বিষয়ে তার জীবনী শরীফে বর্ণিত আছে, পটিয়া থানাধীন নালন্দা নিবাসী হজরত আফাজ উল্লাহ ফকির (রঃ) বলেন, আমার পিতা সাহেব বললেন, আমার একান্ত ইচ্ছা হযরত মাওলানা অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) এর হাতে মুরিদ হই, কিন্তু আমার চলন শক্তি রহিত হয়েছে এখন উপায় কি? তাঁর খেদমতে আরজ করিও। আমি দুধ নিয়ে হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে আমার পিতার নিবেদন আরজ করলাম। হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) আমাকে তিনটি ওলা মিছরী তাবারোক প্রদান করতঃ বলেন- ‘তোমার পিতার শেষ কাল উপস্থিত, চলন শক্তি রহিত, তাকে আমার নিকট আসতে হবে না। আমি তার নিকট যাব। আমার এই মিছরী গুলি আজ একটি, কাল একটি, পরশু একটি, তিনদিন তিনটি মিছরী তাকে খেতে দিও।“ আমি বাড়িতে এসে পিতাকে আনুপূর্বিক বিবরণ জানালাম এবং হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) কেবলার দেওয়া মিছরী গুলি তার হাতে দিলাম। তিনি শয্যাগত অবস্থায় অত্যন্ত ভক্তি সহকারে তাবারোক গ্রহণ করতঃ একটি মিছরী শরবত করে পান করলেন। সেই রাতে হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.)কে স্বপ্নে দেখেন, তার সিনার উপর হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) হাত মোবারক স্থাপনপূর্বক তাওয়াজ্জো প্রদান করছেন। শেষ রাত হতে আমার পিতার অজ্দ ও রোখ্ছ প্রকাশ পায়। হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এর দেওয়া জিকির জপনা করতে থাকেন। এরূপে তিনি সারাদিন জিকির আজ্কারে মগ্ন রইলেন। সন্ধ্যার সময় তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন একটি ওলা মিছ্রি শরবত করে পান করালে তিনি জ্ঞান প্রাপ্ত হয়ে উঠে বসলেন। হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এর অবয়ব হুলিয়া শরীফ বর্ণনা করতে লাগলেন। তাকে যে জিকির দিয়েছেন তা জপনা করতে থাকেন। তৎপর তৃতীয় দিবসে আমার পিতা সাহেব অন্তিম শয্যায় শায়িত অবস্থায় আমাকে বলেন- আমার দয়াল বাবা গাউসুল আজম চরণদ্বীপি মওলানা এসেছেন। ভাল বিছানা দাও। বাবার দেওয়া ওলা মিছরী দিয়ে একটু সরবত তৈয়ার করে আমাকে পান করাও। তার আদেশ মতে শয্যার ডান পার্শ্বে একখানা জায়নামায বিছিয়ে দেওয়া হল। বাবার দেওয়া ওলা মিছ্রি দিয়ে শরবত প্রস্তুত করা হল। এমন সময় সমস্ত গৃহখানা স্বর্গীয় সৌরভে ভরপুর হয়ে উঠল। তখন পিতা সাহেব বললেন, বাবা হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) এসেছেন। তোমরা দেখছ না? এই সময় আমি তাকে শরবত পান করাচ্ছি। তখন তিনি বলেন, বাবা হজরত শাহে চরণদ্বীপি (ক.) হাতের শরবত খাচ্ছি। ‘আল্লাহু, আল্লাহু’ জিকিরের সহিত তিনি অনন্তধামে চলে গেলেন। (ইন্নালিল্লাহি- –রাজেউন)” (হজরত মাওলানা অছিয়র রহমান ফারুকী (কঃ) এর জীবনী ও কেরামত )
হিকমাহ আল্লাহ প্রদত্ত মহান নিয়ামত যা স্বীয় প্রেমে বিভোর বান্দাদের প্রদান করে করুণাসিক্ত করেন। পবিত্র কোরআন কারিমের সুরা বাকারার ১৫১ নাম্বার আয়াতে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) পৃথিবীতে প্রেরিত হওয়ার প্রেক্ষিত বর্ণনায় ‘হিকমাহ’ শিক্ষা প্রদান অন্যতম। চট্টলার বোয়ালখালীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চরণদ্বীপ দরবার শরীফের প্রাণপুরুষ কুত্ববুল আকতাব মুহাদ্দিসে আজম হজরত মাওলানা শাহসুফী শাইখ অছিয়র রহমান ফারুকী চরণদ্বীপি (কঃ) হিকমাহপ্রাপ্ত আলোকিত আধ্যাত্মিক সত্তা স্বীয় হিকমাহর আলোকে উদ্ভাসিত করছেন সালেকের অন্তঃকরণ। আগামী ৭ই মাঘ ২১ জানুয়ারি ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত উনার বেলায়ত ও বেলাদত বার্ষিকী ওরশ শরীফে জানাই প্রেমময় তাসলিমাত এবং তাহাইয়্যিয়াত।
লেখক :
শাইখ সাইফুল্লাহ ফারুকী চরণদ্বীপি
প্রাবন্ধিক ও গবেষক।