সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাইজভান্ডারী একাডেমির আজীবন সদস্য মোঃ ওমর ফারুক এর শ্রদ্ধেয় পিতা ইন্তেকাল করেছেন, হজরত খাজা ওচমান হারুনী ( রাঃ) র ওফাত বার্ষিকী উদযাপিত উসুলে সাবআ সপ্ত পদ্ধতি জগতের সামনে তুলে ধরার যোগ্যতা, সক্ষমতা ও তৌফিক কামনা করেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী মাইজভান্ডার শরীফ শাহী ময়দানে পবিত্র ঈদ উল ফিতর এর জামাতে অংশ নেন হযরত সৈয়দ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ) মাইজভান্ডারি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে ঈদ বস্ত্র-সামগ্রী প্রদান মাইজভান্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিলে বাবা ভাণ্ডারী-র চাহরাম শরীফ সম্পন্নঃ খুলশী যুব উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এতিম শিশু ও পথচারী রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ লাইলাতুল কদর মাহফিলে গাউসুলআজম মাইজভাণ্ডারীর রওজা-এ-পাক জিয়ারতরত শাহসুফি সৈয়দ সহিদুল হক মাইজভাণ্ডারী কাঞ্চনা পল্লী কল্যাণ সমিতির দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত। নাজিরহাটে হক কমিটির ঈদ উপহার বিতরণ
নোটিশ :

সাংবাদিকরা কিস্তিতে ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন : প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক:- সাংবাদিকরা কিস্তিতে ফ্ল্যাট কিনতে পারবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১০ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের করবী হলে এক অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

অসুস্থ, অসচ্ছল সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের অনুকূলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাংবাদিকদের আবাসনের বিশেষ প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেককে প্লট দেওয়া হয়েছে, আবার অনেকে বিক্রিও করে দিয়েছে। সরকারিভাবে আমরা ফ্ল্যাট তৈরি করেছি, কিছু টাকা জমা দিয়ে, কোনোটা ১৬ বছর, কোনোটা ২৬ বছর ধীরে ধীরে টাকা জমা দিয়ে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়া যায়। সেভাবে আমরা অনেক ফ্ল্যাট তৈরি করেছি। সাংবাদিকরা চাইলে আমরা সেটা ব্যবস্থা করতে পারি। এ দেশে কোনো মানুষ ভূমিহীন থাকবে না, গৃহহীন থাকবে না। আমি সাংবাদিকদের বলব, তারা যদি ফ্ল্যাট কিনতে চান, আমরা বিক্রি করব।

তিনি বলেন, ন্যাম সম্মেলন কেন্দ্রের জন্য আমরা যখন ফ্ল্যাট তৈরি করি, তখনই আমাদের লক্ষ্য ছিল যে, সেটি হওয়ার পর ফ্ল্যাটগুলো আমাদের কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক…। আসলে তাদের চাকরির কোনো স্থায়িত্ব থাকে না, বয়স্ক বা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের কোনো সুযোগই থাকে না। সরকারি চাকরিতে অবসর ভাতা পাওয়া যায়। আমাদের রাজনীতিবিদদের জন্য কিছু থাকে না, সাংবাদিকদের জন্য কিছু থাকে না, এটা বাস্তব। এখন গণভবনে আছি ভালো কথা, তারপর কোথায় উঠব? আমি নিজের জন্য চিন্তা করি না, সবার জন্যই ভাবি। আমি আপনাদেরকে (সাংবাদিক) বলব আপনারা যদি কেউ ফ্ল্যাট কিনতে চান তাহলে কিস্তিতে দেব, সেভাবে আমরা ফ্ল্যাট তৈরি করে দিচ্ছি। যদি নিজেরাই ঘর করতে চান তাহলে একটা জায়গা নির্দিষ্ট করে দেব।

সরকার প্রধান বলেন, আমরা সরকার গঠন করার সময় সংবাদপত্র ছিল হাতেগোনা কয়েকটি। তখন অবাধে সংবাদ যাতে প্রকাশিত হতে পারে সে ব্যবস্থা করেছি। প্রথমে তিনটি প্রাইভেট চ্যানেলের অনুমতি দিয়েছি, তারপর এটি বাড়ানো হয়েছে। সেই সময় অনেকে বাধা দিয়েছিল যে, প্রাইভেটে টিভি চ্যানেল দেওয়া ঠিক হবে কি না? আমি যখনই যে কাজ করেছি সেখানে লক্ষ্য ছিল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। তখন আমি বলেছিলাম, যত বেশি টেলিভিশন দিতে পারব সেখানে সাংবাদিক থেকে শুরু করে বহু ধরনের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। সাংবাদিক, শিল্পী, টেকনিশিয়ানসহ বহু ধরনের মানুষ কাজ পাবে তাদের জীবন চলতে পারবে। সেভাবে আমরা টেলিভিশনটা উন্মুক্ত করে দিই।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও একসময় সাংবাদিকতা করেছেন। তার আত্মজীবনী পড়লে আপনারা সেটি জানতে পারবেন। শুধু সাংবাদিকতা নয়, পত্রিকা বিক্রির কাজও তিনি করেছেন। সেদিক থেকে বিবেচনা করলে আমি আপনাদের পরিবারের একজন সদস্য।

তিনি বলেন, ’৯৬ সালে আমি যখন সরকারে গঠন করি তখন মাত্র একটি টেলিভিশন ছিল, সেটাও আবার সরকারি টেলিভিশন। সংবাদপত্র ছিল কয়েকটি। স্বাধীনতার সময় অনেক সংবাদপত্র হানাদার বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল। জাতির পিতার লক্ষ্য ছিল এ দেশের জনগণের যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকে।

পরে অসুস্থ, অসচ্ছল সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিক পরিবারের সদস্যদের অনুকূলে আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদসহ সাংবাদিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।



ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা