মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ যুগ যুগ ধরে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আহলে বায়তে রাসুল(দঃ) এর কোরবানী চিরস্মরণীয় মুজিব শতবর্ষ স্বপ্নযাত্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ইউনিফর্ম বিতরণ, ইমাম হোসাইন (রাঃ)’র শাহাদাতের মাধ্যমে হক ও বাতিল এবং মুনাফিক এর পরিচয় পাওয়া যায় মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ১১ মহরম ১৮ জুলাই শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত. বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের পুরস্কার ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ২৬ জুলাই সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও সনদ বিতরণ প্রিয় নবি (সাঃ) উম্মতের জন্য কারবালার ময়দানে আহলে বাইতের কুরবানী সর্বোচ্চ ত্যাগ এর শিক্ষা দেয়” লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ফটিকছড়ির উদ্যোগে সূর্যগিরি আশ্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সংলাপ ২০২৪ শুরুঃ
নোটিশ :

মহান ৬ ই আষাঢ় মাইজভান্ডারী গগনে সবার বড় আম্মাজান সৈয়দা রাবেয়া খাতুনের (র:) পবিত্র ওরস শরীফ।

মাইজভাণ্ডারী প্রেম কাননে গুলে প্রস্ফুটিত এক হিরাখচিত গোলাপ মহীয়সী রমণী গাউসুল আজম মাইজভান্ডারী (ক:) আপন ভাগিনি মাইজভান্ডারী গগনে সবার বড় আম্মা জান #সৈয়দা #রাবেয়া #খাতুনের (র:) পবিত্র ওরস শরীফ।

( আমি অধম আম্মাজান সৈয়দা রাবেয়া খাতুনের মেজো নাতির বড় শাহাজাদা।)

আহলে বায়তে রাছুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লামের প্রেম বাগিচার গুলে প্রস্ফুটিত এক হিরাখচিত গোলাপ যেন, যিনি আপন গুণে ও গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) র প্রেমপরশ পেয়ে মাইজভান্ডার দরবারকে যুগপৎ এক ঐশি মহিমায় মোহিত করেছেন। তাঁর জিবনী বা প্রশংসা বর্ণনা করা আমার মতো কমজোরের পক্ষে কতটা সম্ভব জানিনা, তবু গাউছুল আজমের নামে গাউছুল আজমের প্রেমধন্য এই মহীয়সী’র কিছু জীবন চরিত তুলে ধরলাম।

#সংক্ষিপ্ত পরিচিতি ও #শুভ জন্মঃ

গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ শাহ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী (ক.) এর কনিষ্ঠ ভগ্নির একমাত্র কন্যা ও নিজ ভ্রাতুষ্পুত্র মমতাজুল আসফিয়া হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলাম সোবহান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (জেঠাজি বাবাজান ক.) এর সহধর্মিণী।
মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকার অন্যতম সাধক মহীয়সী নারী হযরত আলেমা সৈয়দা রাবেয়া খাতুন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ) ১০ মহরম ১২৮২ হিজরী- ৫ জুন ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দ- ২২ জৈষ্ট ১২৭২ বাংলা- রোজ সোমবার দিনশুভক্ষণে চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলার অন্তর্গত হারুয়ালছড়ী গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম সৈয়দ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর সম্মানিত পিতার নাম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আমির উদ্দীন শাহ (ক.) ও শ্রদ্ধেয়া মাতার নাম হযরত আলেমা সৈয়দা গুলতাজ বিবি আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ)।

হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর তিন ভ্রাতাদের নামঃ
খলিফায়ে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.)
১/ হযরত মাওলানা শাহসুফি ডাঃ সৈয়দ নজীব উল্লাহ (ক.)
২/ হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ ইজ্জত উল্লাহ (ক.)
৩/ হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ বশির উল্লাহ (ক.)

হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর শিক্ষা জীবনঃ

তিনি প্রাথমিক শিক্ষা আপন মাতা পিতার তত্ত্বাবধানে অর্জন করেন, পরবর্তীতে তাঁর নানার বাড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে উচ্চতর দ্বিনী ও আধ্যাত্বিক শিক্ষা রপ্ত করেন।

শাদী মোবারকঃ
গাউছুল আজম কুতুবুল আকতাব হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলামুর রহমান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (বাবাজান কিবলা,ক.) র. জেষ্ট ভ্রাতা মমতাজুল আসফিয়া জিল্লে গাউসুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলাম সোবহান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর সাথে পারিবারিক ভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

সন্তান সন্ততিঃ
তাঁর ঔরসে একপুত্র চার কন্যা সন্তান জন্ম গ্রহণ করেন।

যথাক্রমেঃ
১/ হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আবদুল মাবুদ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.)
২/ হযরত সৈয়দা মীরা খাতুন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ)
৩/ হযরত সৈয়দা ওয়াজেদা বেগম আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ)
৪/ হযরত সৈয়দা মাজেদা বেগম আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ)
৫/ হযরত সৈয়দা আয়শা খাতুন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (রাহঃ)

বায়াত গ্রহণঃ
গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ শাহ আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী (হযরত কিবলা,ক.) র. পবিত্র দস্ত মোবারকে বায়াত গ্রহণ করে আধ্যাত্বিক সাধনায় মনোনিবেশ করেন।

#হযরত কিবলা কাবার #শেখানো জিকিরে #হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর জজবাঃ

গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত কিবলা কাবা তাঁকে একটি জিকির শিখিয়ে দিয়েছিলেন,প্রতি ওয়াক্ত নামাজের পর তিনি তা পড়ার সময় কলবে জজব হত।
একদা তিনি হযরত কিবলা কাবার নিকট জিজ্ঞেস করেছিলেন বাবা মনকির নকির কবরে সওয়াল জওয়াব করার সময় আমি কি বলব? হযরত কিবলা কাবা বলেছিলেন মা তখন তোমাকে দেওয়া জিকিরটি খেয়াল রেখো। তখন তিনি বল্লেন বাবা তা আমি পারবনা, তখন হযরত কিবলা কাবা বলেছিলেন তাহলে তুমি আমাকে স্মরণ করিও সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) বল্লেন আমি অতসব পারবনা, আমার খেয়াল থাকবেনা, তখন হযরত কিবলা কাবা মৃদহেসে বলেছিলেন মা, তোমাকে কিছুই করতে হবেনা,আমিই সব বলব।

উল্লেখ্য একদা সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) নামাজের পর উক্ত জিকির করার সময় তাঁর স্বামী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলাম সোবহান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) তাঁর প্রতি বিরক্তবোধ করেন,এতে তিনি মনোকষ্ট পেয়ে সেই রাতে তাঁর স্বামী ঘুমানোর পর হযরত কিবলা কাবার রওজা শরীফে গিয়ে মনোকষ্টের কথা প্রকাশ করলেন, তখন হযরত কিবলা কাবা তাঁকে সান্তনা দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে তাঁর স্বামী হযরত কিবলা কাবাকে সপ্নে দেখলেন যে তিনি লাটি হাতে নিয়ে তাঁকে প্রহার করতে চাচ্ছেন, আর তখন তিনি তাঁর সপ্নের মর্মার্থ অনুধাবন করতে পেরে হযরত কিবলা কাবার রওজা মোবারকে গিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

#সন্তানের #ইন্তেকালের পর সপ্ন নয় #বাস্তবে #দর্শনঃ

হযরত কিবলা কাবার ইন্তেকালের ছয়মাস পর হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর শিশু পুত্র সৈয়দ সুলতান আহমদ (রাহঃ) ইন্তেকাল করেন এতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন,কয়েকদিন পর তিনি হযরত কিবলা কাবার রওজা মোবারকে গিয়ে অনেক্ষণ কেঁদে কেঁদে বিভোর চিত্তে বসে থাকেন,ইতোমধ্যে তিনি হযরত কিবলা কাবাকে মগ্ন চিত্তে দেখতে পান তিনি বলেছেন মা তোমার সন্তানকে দেখাইলে আর কাঁদবেনাতো? উত্তরে সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) বল্লেন যে তিনি আর কাঁদবেন না,এরপর হযরত কিবলা কাবা তাঁর বাহু উপর দিকে প্রসারিত করলেন এবং বল্লেন মা এদিকে তাকাও সঙ্গে সঙ্গে তিনি সামনে একটি মনোরম প্রশস্ত বাগান দেখতে পেলেন,সেখানে সুগন্ধি নহরাদি প্রবাহিত এবং নানা রকম ফল ফুলে বৃক্ষরাজি শোভিত, সেখানে অনেক ছেলে মেয়েদের সাথে তাঁর শিশুপুত্রকে খেলা করতে দেখেন। তিনি আরও বর্ণনা করেন হযরত কিবলা কাবা তাঁকে বলেছিলেন মা তুমি আমার দেলা ময়নাকে যত্ন করিও,আমিই তোমাকে দেখিব। তাফসি হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) অছিয়ে গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ দেলোয়ার হোসাইন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) ছাহেবের সন্তান সন্ততি হওয়ার পরেও তাঁকে কুলে বসার জন্য বাধ্য করতেন। বলতেন হযরত কিবলা কাবার নির্দেশ আমাকে পালন করতে হবে। হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ দেলোয়ার হোসাইন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) বাধ্য হয়ে মাটিতে হাতের ভার রাখিয়া তাঁর কুলে বসতেন।

শাহানশাহ হযরত মাওলানা শাহসুফি #সৈয়দ #জিয়াউল #হক আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী (ক.) এর #পুনঃ #জীবন #ফেরতঃ

শাহানশাহ হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ জিয়াউল হক আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর জন্মের ২১ তম দিনের ঘটনা তিনি মাতৃরোগে মৃতপ্রায়, কাঙ্ক্ষিত ধন পেয়ে হারাবার আশংকায় মা যেন একখানা খোদাই করা পাথর। কোন সাড়া শব্দ নেই,ছেলের দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছেন,পরিবারের সবাই উদ্বিগ্ন, অনেকে ফুঁফিয়ে ফুঁফিয়ে কাঁদছেন। এমন সময় হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এসে শাহানশাহ (ক.) এর অবস্থা দেখে তিনিও দিশেহারা, তখন তিনি শাহানশাহ (ক.) কে কুলে নিয়ে অছিয়ে গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ দেলোয়ার হোসাইন আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর হুজরায় গিয়ে বল্লেন, চলুনতো বড় মাওলানা (বাবাজান কিবলা) সাহেবের নিকট গিয়ে দেখি কিছু হয় কিনা। অছিয়ে গাউছুল আজম (ক.) উত্তর দিলেন পুত্রের জীবন ভিক্ষার মত সামন্য কিছুর জন্য আমি তাঁর নিকট যাব’না। ইচ্ছে হলে আপনি যেতে পারেন, তখন গাউছুল আজম হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলামুর রহমান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) পুরাতন বাড়ির হুজরা শরিফে থাকতেন। হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) সকাল বেলা শাহানশাহ (ক.) কে নিয়ে তাঁর হুজরা শরিফে উপস্থিত হয়ে ভাবাবেগে বলতে লাগলেন, গাউছুল আজম হযরত কিবলা কাবার বংশের বাতি নিভে যায়, আর আপনি চাদর মুড়ি দিয়ে আরাম করছেন? আপনি না অগণিত লোকের হাজত রাওয়া মুশকিল কোশা!, আপনার সম্মুখে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত কিবলা কাবার বংশের বাতি নিভে গেলে আপনি তাঁকে কি জবাব দিবেন? হাশর ময়দানে আল্লাহ ও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কি করে মুখ দেখাবেন? এত কিছু বলার পরও বাবা ভান্ডারি (ক.) এর কোন সাড়া না পেয়ে তিনি বাষ্পরুদ্ধ কন্ঠে বলতেই থাকেন,আপনার শরিরে লক্ষ লক্ষ কাঁটা বিধে যখন পাহাড় থেকে এসেছিলেন তখন সব কাঁটা আমিই তুলেছিলাম। গরম পানিতে রক্ত পুঁজ ধুয়ে সেবা শুশ্রূষায় সুস্থ করেছিলাম, এর প্রতিদান কিছুইতে চাইনি। এখন আমার দাবি এই শিশুর জীবন ফিরিয়ে দিতে হবে, চরম আবেগময় এই আবেদনে বাবাজান কিবলা (ক.) নিজের শরির থেকে চাদর সরিয়ে নিলেন এবং তাঁর হাতে পানি ডালার জন্য নিজ হাত প্রসারিত করলেন। শাহানশাহ (ক.) কে তাঁর সন্নিকটে রেখে সাত কলসি জলধারা দেওয়ার পর পানি ডালা বন্ধ করতে ইশারা করলেন। তবুও শিশু শাহানশাহ (ক.) এর দেহে প্রানের কোন লক্ষণ নেই,সবাই উৎকণ্ঠিত, অবশেষে বাবাজান কিবলা (ক.) এর পবিত্র হাত নিংড়ে দু’তিন ফোটা পানি শাহানশাহ (ক.) এর মুখে দিলেন,এবার আস্তে আস্তে শাহানশাহ (ক.) চোখ মেলে তাকালো, তখন হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর চোখে নেমে আসে আনন্দ ধারা,অবরুদ্ধ কন্ঠে একবার শুধু বল্লেন আল্লাহর হাজার শুকর আলহামদুলিল্লাহ।।

#গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর দরবারে #সৈয়দা #রাবেয়া #খাতুন এর মর্যাদাঃ
গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ শাহ ( ক.) শুধুমাত্র একজন মহিলাকে হাতে হাতে বায়াত করেছিলেন তিনিই আলোচ্য মহান জাতেপাক হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) কিংবদন্তি আছে হযরত কিবলা কাবা দরবারের সকলের রিজিকের দপ্তর দিয়েছিলেন এই মহান মহিয়সীর হাতে একদা তাঁর স্বামী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলাম সোবহান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) সকলকে ডেকে বল্লেন রিজিকের ঘর বন্ধ হয়ে যাচ্ছে যে যেখানে রয়েছেন সবাই চলে আসেন, এমনকি গর্ভবতী মহিলা হলেও, আমরা সবাই বাবাজান কিবলার কাছে যাবো , সবাই গিয়ে শেষ পর্যন্ত চার আনা রিজিক রক্ষা করে গেছেন, সেই চার আনা রিজিক দ্বারাই আজ পর্যন্ত সবাই চলতেছেন।

এই মহীয়সী আবেদা সালেহা হুযুর গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী হযরত কিবলা কাবার ও দরবারের সকল বুযূর্ঘদের পরিবারের যে খেদমত আঞ্জাম দিয়েছিলেন তা মাইজভান্ডার দরবার শরিফের ইতিহাসে বিরল হয়ে থাকবে।

হযরত সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (রাহঃ) এর ইন্তেকালঃ

তিনি তাঁর স্বামী হযরত মাওলানা শাহসুফি সৈয়দ গোলাম সোবহান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল মাইজভাণ্ডারী (ক.) এর ইন্তেকালের ১৩ বৎসর পর বাংলা মাসের ৬ আষাঢ় ১৩৬৫ বাংলা, ১০ জিলক্বদ ১৩৭৫ হিজরী, ২০ জুন ১৯৫৬ খ্রিস্টাব্দ রোজ বুধবার পরলোক গমণ করেন, আগামিকাল ৬ আষাঢ় তাঁর পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে তাঁর রুহানি ফয়োজাত বারকাত সকল আশেকানে মাইজভাণ্ডারী গণের উপর বর্ষিত হোক আল্লাহুমা আমিন সুম্মা আমিন বিহুরমাতি রাহমাতুল্লিল আলামিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়াসাল্লিম।।

এই লেখাটি লেখার জন্য আমি মির্জাপুর নিবাসী সৈয়দ বাড়ী এর সৈয়দ ফয়জুল ইসলাম অনুরোধ করেছিলাম। কৃতজ্ঞ জানাচ্ছি তার প্রতি।

সৈয়দ গোলাম মোরশেদ
সৈয়দা রাবেয়া খাতুন (বংশধর)
মাইজভান্ডার দরবার শরীফ চট্টগ্রাম



ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা