মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০২৪, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ যুগ যুগ ধরে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আহলে বায়তে রাসুল(দঃ) এর কোরবানী চিরস্মরণীয় মুজিব শতবর্ষ স্বপ্নযাত্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ইউনিফর্ম বিতরণ, ইমাম হোসাইন (রাঃ)’র শাহাদাতের মাধ্যমে হক ও বাতিল এবং মুনাফিক এর পরিচয় পাওয়া যায় মাইজভান্ডার দরবার শরীফে ১১ মহরম ১৮ জুলাই শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত. বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের পুরস্কার ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান আগামী ২৬ জুলাই সূর্যগিরি আশ্রমের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও সনদ বিতরণ প্রিয় নবি (সাঃ) উম্মতের জন্য কারবালার ময়দানে আহলে বাইতের কুরবানী সর্বোচ্চ ত্যাগ এর শিক্ষা দেয়” লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ফটিকছড়ির উদ্যোগে সূর্যগিরি আশ্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ এর সাংগঠনিক সংলাপ ২০২৪ শুরুঃ
নোটিশ :

মহান ৩রা মাঘ মাইজভান্ডারী দর্শনের মানসপুত্র সৈয়দ নুরুল বক্তেয়ার শাহ(রহ)’র পবিত্র খোশরোজ শরীফ

কুতুবুল ইরশাদ ,হজরত শাহ্ সূফি সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ মাইজভাণ্ডারীঃ-
যুগে যুগে মানব জাতির কল্যানের জন্য আল্লাহ পাক নবী, রাসুল , অলি আউলিয়া, সাধকপুরুষ প্রেরণ করেন।
উন্মুক্ত ঐশী প্রেমবাদের ঝাণ্ডা নিয়ে , তাওহীদে আদ্বীয়ান, আদলে মোতলাক, ওয়াহদাতুল অজুদ, আশরাফুল মাখলুকাতের বার্তা নিয়ে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী হজরত শাহসূফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) এ ধরাধমে আগমন করেন।
হুজুর গাউসুল আযম (ক.)’র বেলায়ত বাগানের মহান ফুল কুতুবুল ইরশাদ হজরত শাহসূফি সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্।
তিনি গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর ফয়জপ্রাপ্ত, মওলায়ে রহমানের করুনা ধন্য, অছি এ গাউসুল আযমের খেলাফতপ্রাপ্ত এবং বিশ্বঅলি শাহানশাহ হক ভাণ্ডারীর প্রধান খলিফা ।
বহুগুণে গুনান্বিত বিরলপ্রজ ঐশী গুণাধার, ঐশী প্রেমের জ্ঞানসাধক, মানবতার কল্যানে নিবেদিত প্রাণ ও যুগশ্রেষ্ট তত্ত্বজ্ঞানী হজরত শাহ্ সূফি সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ মাইজভাণ্ডারী।

মাইজভাণ্ডারী দর্শনের মানসপুত্র :
মানসপুত্র শব্দের অর্থ মন হতে জাত পুত্র, Spiritual Son. শাহ সাহেব নিজের জীবনে পরিপূর্ণ মাইজভাণ্ডারী দর্শনের প্রতিফলন ঘটিয়েছেন । ফলে তিনি ছিলেন মাইজভাণ্ডারী দর্শনের জীবন্ত রুপ। তিনি প্রেমাষ্পদে বিলীন হয়েছেন । যেভাবে শামসে তাবরেজে , মওলানা রুমী বিলীন হয়ে(দিওয়ানে শামসে তাবরেজ) নিজেই শামসে তাবরেজের সাক্ষর রাখতে পারতেন, সেরুপ তিনিও যা বলতেন বা করতেন তাতেই মাইজভাণ্ডারী দর্শন প্রতিফলিত হত।

যুগশ্রেষ্ঠ তত্ত্ব জ্ঞানী:
ব্যারিষ্টার আলহাজ্ব বজলুস সাত্তার বলেছিলেন,
“ জ্ঞান অন্বেষনের তাগিদে অর্ধেক পৃথিবী ঘুরেছি। সমকালীন বিখ্যাত জ্ঞানী গুণী পন্ডিতদের সাথে মিশেছি। কিন্তু সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ্ ’র মত সাক্ষাৎ জ্ঞানী বোদ্ধা আর কোথাও দেখি নি ।”

তাসাউফ এবং মাইজভাণ্ডারী দর্শনের এমন কোন জ্ঞান ছিল না যা শাহ্ সাহেবের নিকট ছিল না । ১৯৮৭ সালে মাইজভাণ্ডারী দর্শন ভিত্তিক আলোচনা সভায় নোয়াখালি গিয়েছিলেন। আলোচনা সভা শেষে ২০-২৫ জনের একদল আলেম শাহসাহেবের নিকট আসেন বাহাসের উদ্দেশ্যে। শাহসাহেব তাদের একের পর এক করা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন । অনেকক্ষন প্রশ্নোত্তর পর্ব চলার পর আগত দলটি শাহসাহেবের সাথে একমত পোষন করে এবঙ দোয়া চায়।
হোটেল টিউলিপ, , আন্দরকিল্লা রাজাপুকুর লেনে আগত অনেক দর্শনার্থি তার এমন জ্ঞানগর্ভ আলোচনা শুনতেন।

কুতুবুল ইরশাদ: কুতুবুল ইরশাদ ঐ ব্যাক্তিকেই বলা হয় যিনি অলিয়ে কামেলের রহস্যপূর্ন কথা-বার্তা,কাজ ইত্যাদির ব্যাখ্যা করতে সমর্থ হন। হজরত সৈয়দ নুরুল বখতেয়ার শাহ, বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হক ভাণ্ডারী কিবলা কাবার সমস্ত রহস্যপূর্ন কথা-কাজের সঠিক ব্যাখ্যাকারী ছিলেন ।
পাথরঘাটা মেসার্স দরবার ইলেকট্রিক স্টোরের সত্তাধিকারী মৃদুল কান্তি চেীধুরীর বাবা মৃত্যুশয্যায়। তিনি নিরুপায় হয়ে দয়াল শাহানশাহ্ র নিকট আসেন । বাবাজানের পা ধরে কান্নাকাটি করে বলে, “বাবা পরিবারের চালক, তিনি মারা গেলে আমরা চালকহারা আশ্রয়হীন হয়ে পড়ব। শাহানশাহ্ বাবাজান বলেন,
“পিতামাতা চালক নয়-সাথী, চালক আল্লাহ্ । আমরা আছি না??” অতঃপর বাবাজান আপাদমস্তক চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়েন ।
মৃদুল কান্তি চেীধুরী রওজা শরিফের তবারুকের পানি আনতে চাইলে শাহসাহেব তাকে বলেন, “আপনি তাড়াতাড়ি বাড়ি গিযে জীবন্ত দেখেন কিনা চেষ্টা করুন। “
দোয়া না করে কেন এরুপ বলেছেন জনৈক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে বলেন, “ বাবাজানের শোয়ার অবস্থা দেখে বুঝেছি চেীধুরী বাবু এতক্ষন নাই ।”
মৃদুল বাবু অক্সিজেন পেীছালে দেখেন, শহর থেকে একটি টেক্সিতে করে মৃত্যু সংবাদ সহ তার আত্মীয় একজন ভাই দরবার শরীফ যাচ্ছেন ।

এভাবেই তিনি শাহানশাহ বাবাজানের সমস্ত রহস্যপূর্ণ কথা-কাজের ব্যাখ্যায় সমর্থ ছিলেন।
ভক্ত কবির ভাষায়,
“প্রেমিক নুরুল বখতেয়ার শাহ্ জানে,
শশীকান্ত নাচে কোন বনে।।”

মুনিবের চরণে নিবেদিত প্রাণ: অছি এ গাউসুল আযম হজরত শাহসুফি সৈয়দ দেলাওর হোসাইন মাইজভাণ্ডারী(ক.) কেবলা কাবার খেলাফত পেয়েছেন এবং বিশ্বঅলি শাহানশাহ হজরত শাহসূফি সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র প্রধান খলিফা ছিলেন।
মহান দু’জন হাস্তির খেলাফত প্রাপ্ত হওয়া সত্তেও বায়াত করান নি। বলেছেন “ মাইজভাণ্ডারী দর্শনের প্রচার প্রসারই আমার আজীবন সাধনা । ”
তিনি উসুলে সাবআর জীবন্ত প্রতিচ্ছবি ছিলেন।

মুনিবের স্বীকৃতি: তিনি স্বীয় মুর্শিদ অছি এ গাউছুল আজমের খেলাফতপ্রাপ্ত ছিলেন । পরবর্তিতে মুর্শিদের নির্দেশে শাহানশাহ্ বাবাজানের নিকট পুনঃবায়াত হন । এবং শাহানশাহ্ বাবাজানের প্রধান খলিফা ছিলেন।
শাহানশাহ বাবাজান কালাম করেন,
“বখতেয়ার আল্লাহর খলিল ।”
“ইনি আমার বাবাজানের(অছি-এগাউছেপাক) খলিফা।গাউসুল আযমের শানে, বাবাজানের শানে ২৫ টি বই লিখেছেন।আমার সেখানে ৫০/৬০ লাখ টাকা খরচ করে ওরশ করাতে এখন লোকজন পোক-জোঁকের মত করছে।”
“আমার বখতেয়ার মামা যেমন তেমন মানুষ নয় ।”

মানবতার কল্যানে সদা নিবেদিত তার প্রেমবাগান!
ভক্ত কবির ভাষায়-

“খলিলুল্লাহ্ বখতেয়ার, প্রেম খলিল মাইজভাণ্ডার।
সখির রুপেতে মজি হয়ে গেল একাকার।

আপন তনে সখি ধনে, বশ করিল ধ্যানে জ্ঞানে,
প্রাণ পতির সাথে হল, মিলন বিষম মধুর।।

প্রেমে মিশে দুইজনে, হয়ে গেল একসনে,
দেখা মিলে শুধু তারে শ্যাম প্রেমের বাজার।।

সখি সখি বিহনে, থাকেনি কোন দিনে,
খলিলুল্লাহ্ সখি সনে, নাচে দেখ ঝুমুর ঝুমুর।।”



ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা